
ঘটনার রাতে মদ্যপ ছিল সে। তার সঙ্গীরাও মদ্যপ অবস্থায় ছিল। পুলিশের জেরার মুখে একথা স্বীকার করে নিল ডায়মন্ডহারবারে কলেজ ছাত্রকে পিটিয়ে খুনে মূল অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা তাপস মল্লিক। পুলিশ সূত্রের খবর, তাপস মল্লিককে দফায় দফায় জেরা করা হলেও তার বয়ানের সঙ্গে প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান মিলছে না। কার্যত তদন্তকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে সে। এদিকে এই ঘটনার তদন্ত সিআইডির হাতে যাওয়ার পর শনিবার দিনভরই বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেরিয়েছেন সিআইডি আধিকারিকরা। চলেছে জিজ্ঞাসাবাদ। কখনও থানায় হাজির হয়েছেন তাঁরা। কখনও গেছেন নিহত কৌশিক পুরকাইতের গ্রামে। কথা বলেছেন তার বাবা-মায়ের সঙ্গে। কখনও বা তাঁরা কথা বলেছেন বাহাদুরপুর গ্রামের বাসিন্দাদের সঙ্গে। এদিকে যে ১০ জনের বিরুদ্ধে এই ঘটনায় এফআইআর দায়ের হয়েছে তাদের মধ্যে ২ জনকে গ্রেফতার করা গেলেও এখনও অধরা ৮ জন। শুক্রবার কুলপিতে তাদের খোঁজে তল্লাশি চালালেও তাদের ধরা যায়নি। পুলিশের অনুমান যে পুলিশ আসছে খবর পেয়েই সেখান থেকে চম্পট দেয় তারা।